বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড পরিমাণে কাঠের ব্যবহার যুক্তরাজ্যে

যুক্তরাজ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জৈব জ্বালানির ব্যবহার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

যুক্তরাজ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জৈব জ্বালানির ব্যবহার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। যুক্তরাজ্যের ড্রাক্স পাওয়ার প্লান্ট জানিয়েছে, জুলাইয়ে দেশটির মোট বিদ্যুতের ৯ শতাংশ কাঠের টুকরো পোড়ানোর মাধ্যমে উৎপাদন করেছে তারা। সেপ্টেম্বরের এক সকালে এটি পৌঁছে ১৭ শতাংশে। ওই সময় বাতাস ও সূর্যালোক কম থাকায় বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যায়। ফলে জাতীয় গ্রিডে জৈব জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের হিস্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

যুক্তরাজ্য এখন বিদ্যুতের জন্য অনেক বেশি জৈব জ্বালানি ব্যবহার করছে, যা আগে কখনো ছিল না। তবে দেশের সবচেয়ে বড় জৈব জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ড্রাক্সের সঙ্গে নতুন চুক্তি করে বিতর্কিত এ জ্বালানির ব্যবহার কমানোর পরিকল্পনা করেছে।

চুক্তি অনুসারে, প্লান্টটির বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় কমিয়ে আনা হয়েছে। এতে ভর্তুকিও কমে যাবে। আগে এটি নির্দিষ্ট কার্যকালের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সময় চালানো যেত। এখন তা কমে দাঁড়াচ্ছে এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি। তবে ভর্তুকি কমলেও ড্রাক্স প্রতিদিন এখনো ১০ লাখ পাউন্ডের বেশি আয়ের সুযোগ পাবে।

বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান এম্বার জানিয়েছে, ২০২৭-৩১ সাল পর্যন্ত ভর্তুকি বাবদ বছরে ড্রাক্স পাবে প্রায় ৪৫ কোটি ৮৬ লাখ পাউন্ড।

চুক্তি ঘোষণার সময় জ্বালানিমন্ত্রী মাইকেল শ্যাঙ্কস বলেন, ‘ভর্তুকি কমানোর প্রয়োজন ছিল। আগের ভর্তুকি বিল পরিশোধকারীদের জন্য উপযুক্ত ছিল না। এতে ড্রাক্স অস্বাভাবিকভাবে বেশি মুনাফা করার সুযোগ পেয়েছিল।’

ড্রাক্সকে নিয়ে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর সমালোচনাও বাড়ছে। তাদের অভিযোগ, কোম্পানিটি যে কাঠ পোড়ায়, তা সবসময় টেকসই উৎস থেকে আসে না।

সম্প্রতি কানাডার পরিবেশবিষয়ক সংস্থা স্ট্যান্ড আর্থ জানিয়েছে, ড্রাক্স ২৫০ বছরের পুরনো গাছও পোড়াচ্ছে। তবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বলছে, তারা মূলত স-মিল থেকে বাদ পড়া নিম্নমানের কাঠই ব্যবহার করে।

আরও